ঢাকারবিবার , ১৪ জুন ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাজীপুরে নামজারি সহকারী অজিত চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

dailydesherkhabor
জুন ১৪, ২০২৬ ৪:২৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলে ফাইল আটকিয়ে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে নামজারি সহকারী অজিত চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন জটিলতার কথা বলে নামজারি ও খারিজের ফাইল আটকিয়ে লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই ঘুষখোর কর্মচারী নামজারি সহকারী অজিত চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে। জানা যায়, গাজীপুরের টঙ্গী জোন এসিল্যান্ড সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস যেন এক দুর্নীতির আতুর ঘর। এই অফিসে টাকা ছাড়া কোনো ফাইল নড়ে না, আর মোটা অঙ্কের ঘুষ দিলেই নিমিষেই সমাধান হয়ে যায় সব জটিলতা। নামজারি, খারিজ খতিয়ান কিংবা জমি সংক্রান্ত যেকোনো সেবা পেতে হলে নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে দিতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের ঘুষ। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ফাইল মাসের পর মাস, এমনকি বছরও পার হয়ে যায় ফাইলের কাজ আর হয় না। নানা অজুহাতে ভুল ধরা, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া কিংবা জটিলতার ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে বাধ্য করা হচ্ছে ঘুষ দিতে। বিশেষ করে নামজারি সহকারী অজিত চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে উঠেছে এই ভয়াবহ অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য সহ সাধারণ মানুষকে হয়রানির গুরুতর অভিযোগ। ভুক্তভোগীদের দাবি, টঙ্গী জোন এসিল্যান্ড অফিসে সেবা নিতে এসে তারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কাছে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছেন। নামজারি, খারিজ খতিয়ান কিংবা জমি সংক্রান্ত যেকোনো সেবা পেতে হলে নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে দিতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের ঘুষ। প্রতিটি নামজারি বা খারিজ খতিয়ানের ফাইল ছাড় করতে ন্যূনতম ৩ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ফাইল মাসের পর মাস, এমনকি বছরও পার হয়ে যায় ফাইলের কাজ আর হয় না। নানা অজুহাতে ভুল ধরা, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া কিংবা জটিলতার ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে বাধ্য করা হচ্ছে ঘুষ দিতে। আর এই ঘুষ বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উঠে এসেছে নামজারি সহকারী অজিত চন্দ্র দাসের নাম। ভুক্তভোগী আনোয়ারা বেগম, যার ফাইল নম্বর ১৬৫৪৫, ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বিভিন্ন অজুহাতে আমার ফাইল আটকে রাখা হয়েছিল। পরে নামজারি সহকারী অজিত চন্দ্র দাসকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার পর নিমিষেই আমার ফাইলের জটিলতা সমাধান হয়ে যায়।” এ বিষয়ে নামজারি সহকারী অজিত চন্দ্র দাস বলেন, আমার বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ তো সবাই বলে এটা নতুন কিছু না। ফাইল আটকিয়ে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা আমার চাকরি জীবনে এরকম ঘটনা কেউ বলতে পারবে না। স্থানীয়দের ভাষ্য, টঙ্গী এসিল্যান্ড অফিস এখন ঘুষের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। এখানে আইন বা নিয়ম নয়, টাকাই যেন শেষ কথা। ফলে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা। সরকার ভূমি সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করলেও টঙ্গী জোন অফিসের এক শ্রেণির অসাধু চক্রের কারণে সেই সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন জনগণ।