ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুলাউড়ায় প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি, পরীক্ষায় বিপাকে শিক্ষার্থীরা

dailydesherkhabor
ডিসেম্বর ৪, ২০২৫ ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সামসু উদ্দিন বাবু :কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি সরকারি‎ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে দ্বিতীয় দিনের মতো মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) দেশের বেশির ভাগ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। বছরের শেষ প্রান্তে এসে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। তাদের অভিযোগ—পরীক্ষার এমন সংবেদনশীল সময়ে কর্মবিরতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। অনেকেই শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন জানালেও তারা মনে করেন, পরীক্ষার আগে বা পরে আন্দোলন করা হলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতো না। ইতিমধ্যে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকরা কর্মবিরতি স্থগিত করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ঘোষণা দিয়েছেন—তাদের কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। এরই ধারাবাহিকতায় সারা দেশের মতো মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলাতেও প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, ৩য় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা চললেও শ্রেণিকক্ষগুলো প্রায় শিক্ষক ফাঁকা। শিক্ষকদের অনুপস্থিতিতেই প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের আয়াদের সহায়তায় অস্বাভাবিক পরিবেশে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। উপজেলার কিছু বিদ্যালয়ে আবার দেখা গেছে ভিন্ন দৃশ্য। বশির উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের উদ্যোগে স্কাউট সদস্যরা ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা পরীক্ষার দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। শিক্ষকদের কর্মবিরতি মাঝেও তাদের তত্ত্বাবধানে নিয়মিতভাবেই চলছে পরীক্ষার কার্যক্রম। এ উদ্যোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। কর্মবিরতিতে থাকা অধিকাংশ শিক্ষক গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি না হলেও এক নারী শিক্ষক বলেন, “সরকার যদি আমাদের দাবিগুলো আগে থেকেই বিবেচনায় নিতো, তাহলে আজ সারা দেশে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না।”এ প্রসঙ্গে কুলাউড়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ খোরশেদ আলম জানান,.“আমরা নিয়মিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। উপজেলায় মোট ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পরীক্ষা চলমান রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “অভিভাবকদের অনুরোধ করছি—শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা থেকে দূরে রাখবেন না। ষষ্ঠ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়া বা পরীক্ষায় পাশ করা নিয়ে কেউ সমস্যায় পড়বে না।” সমাজের সচেতন নাগরিকরা বলছেন,  শিক্ষকদের আন্দোলনের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের যেন কোনোভাবেই ক্ষতির মুখে না পড়তে হয়, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।  শিক্ষাখাতকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক টানাপড়েনের বাইরে রাখতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতির মুখে পড়বে।