টঙ্গী এসিল্যান্ড অফিসের স্টাফ পরিচয়ে অর্থ হাতানোর অভিযোগ: আব্দুল আলিমের পরিচয়ের সত্যতা মেলেনি

সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলাম. আব্দুল আলিম (দালাল)
গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুর টঙ্গী এসিল্যান্ড অফিসের স্টাফ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্দুল আলিম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল আলিম নিজেকে টঙ্গী এসিল্যান্ড অফিসের স্টাফ এবং এসিল্যান্ড ও সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলামের লোক হিসেবে পরিচয় দিয়ে জমি-জমা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিতেন। এই পরিচয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
তবে অনুসন্ধানে আব্দুল আলিমের টঙ্গী এসিল্যান্ড অফিসের স্টাফ পরিচয়ের কোনো সত্যতা পাওয়া না গেলেও সে সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ লোক বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, টঙ্গীর বিভিন্ন মৌজায় জমির সীমানা নির্ধারণের কাজে সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনৈতিক অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যক্তির কাছ থেকে ঘুষের বিনিময়ে সীমানা নির্ধারণ ও বিভিন্ন জমি সংক্রান্ত মামলার সরেজমিন প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন তিনি। আর এ অবৈধ অর্থ লেনদেনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন দালাল আব্দুল আলিম।
অনুসন্ধান কালে আব্দুল আলিম নিজেকে টঙ্গী এসিল্যান্ড অফিসের স্টাফ পরিচয়ে দিয়ে বলেন, আমার কাজ শুধু অফিসের ফাইল আলমিরাতে ঢুকানো আর বাহির করা।
দালাল আব্দুল আলিমের বিষয়ে জানতে চাইলে সার্ভেয়ার রফিকুল ইসলাম জানান, আব্দুল আলিম নামের এক জন আমাদের এখানে মাঝে মধ্যে লেবার হিসেবে কাজ করেন। তবে ওই নামে কোন স্টাফ আমাদের অফিসে নেই।
এবিষয়ে টঙ্গী এসিল্যান্ড অফিসের কানুনগো মোঃ অলি উল্লাহ বলেন, আব্দুল আলিম নামের কোন স্টাফ আমাদের এই অফিসে নেই।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে এভাবে অর্থ আদায়ের ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। আব্দুল আলিম কোন পরিচয়ের ভিত্তিতে তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে লেনদেন করছেন? টঙ্গী এসিল্যান্ড অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য নিয়ে এবং অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
###


